জাল/যয়ীফ হাদিস

প্রচলিত জাল ও য'ইফ হাদীস- ৩

Alorpath 5 months ago Views:113

প্রচলিত জাল ও য'ইফ হাদীস- ৩


প্রচলিত জাল ও য'ইফ হাদীস- ২

৫১। যে ব্যাক্তি তার পেটকে ক্ষুধার্ত বানায় তার চিন্তা-ভাবনা বড় হয় (বৃদ্ধি পায়) এবং তার হৃদয় জ্ঞান সম্পন্ন হয়

হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই

৫২। অতিভোজন রোগের মূল আর রক্ষাকারী খাদ্য ঔষধের মূল। অতএব তোমরা প্রত্যেক শরীরকে যাতে সে অভ্যস্ত হয়েছে তাতে অভ্যস্ত কর

হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই

৫৩। তোমরা সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন কর সুস্থ থাকবে

হাদীসটি দুর্বল

৫৪। তোমরা সফর কর সুস্থ থাকবে এবং যুদ্ধ কর স্বাবলম্বী হবে

হাদীসটি দুর্বল

৫৫। তোমরা সফর কর সুস্থ থাকবে এবং গনীমত লাভ করবে

হাদীসটি মুনকার

৫৬। আল্লাহ তাআলা প্রতিদিন একশত বিশটি রহমত নাযিল করেন। ষাটটি তাওয়াফকারীদের জন্য, চল্লিশটি ঘরের (বায়তুল্লাহ-এর) চারিদিকে তিকাফ করীদের জন্য এবং বিশটি ঘরের দিকে দৃষ্টিদান কারীদের জন্য

হাদীসটি জাল


৫৭। তুমি তোমাকে অপচয় করা হতে বাঁচাও, কারণ দিনে দুবার খাবার গ্রহণ করা অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত

হাদীসটি জাল

৫৮। নিশ্চয় ব্যাক্তি কর্তৃক তার মেহমানের সাথে বাড়ীর দরজা পর্যন্ত বের হয়ে যাওয়া সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত

হাদীসটি জাল

৫৯। তোমরা রোগের ভান করো না, কারণ এর ফলে তোমরা রোগী হয়ে যাবে এবং তোমরা তোমাদের কবর খুড়ো না, কারণ এর ফলে তোমরা মৃত্যুবরণ করবে

হাদীসটি মুনকার

৬০। তোমরা তোমাদের নেফাসধারী নারীদেরকে কাঁচা খেজুর খেতে দাও। তাঁরা বললঃ সব সময়তো কাঁচা খেজুর পাওয়া যায় না। তিনি (উত্তরে) বললেনঃ তাহলে শুকনা খেজুর। তাঁরা বললঃ সব শুকনা খেজুরই ভাল, তবে সর্বোত্তম শুকনা খেজুর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমাদের সর্বোত্তম শুকনা খেজুর হচ্ছে বুরনী খেজুর, যা সুস্থতাকে প্রবেশ করায় এবং রোগকে বের করে দেয়। তাতে কোন রোগ নেই। তা ক্ষুধার্থের জন্য অধিক তৃপ্তিদায়ক এবং আক্রান্তের জন্য অধিক উত্তাপ দানকারী

হাদীসটি দুর্বল

৬১। তোমরা তোমাদের চাচী খেজুর গাছের সাথে ভাল ব্যাবহার কর। কারণ আল্লাহ তাআলা আদমকে সৃষ্টি করার পর তার মাটির কিছু অংশ অবশিষ্ট রয়ে যায়, অতঃপর তা থেকেই খেজুর গাছকে সৃষ্টি করেন

হাদীসটি জাল

৬২। আদম (আঃ) কে সৃষ্টিকৃত মাটির অবশিষ্টাংস হতে খেজুর গাছ, আনার গাছ এবং আঙ্গুর গাছ সৃষ্টি করা হয়েছে

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল

৬৩। তোমরা তোমাদের চাচী খেজুর গাছকে সম্মান কর। কারণ তাঁকে তোমাদের পিতা আদমকে সৃষ্টিকৃত মাটির অবশিষ্টাংশ দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে। মারইয়াম বিনতে ইমরান যে বৃক্ষের নীচে সন্তান প্রসব করেছেন, তার চেয়ে আল্লাহর নিকট সম্মানিত বৃক্ষ আর নেই। অতএব তোমরা তোমাদের নারী মাতাকে কাঁচা খেজুর খাওয়াও। যদি কাঁচা খেজুর না থাকে তাহলে শুকনা খেজুর

হাদীসটি জাল

৬৪। নেফাসধারী নারীদের জন্য আমার নিকট কাঁচা খেজুরের ন্যায় রোগ মুক্তকারী কিছু নেই এবং কোন রোগীর জন্য মধুর ন্যায় আরোগ্যদানকারী কিছু নেই

হাদীসটি জাল

সূরাঃ আল-ফাতিহা - ১

৬৫। হে আবূ হুরায়রা! তুমি লোকেদেরকে কুরআন শিক্ষা দাও এবং তুমি তা শিখ। কারণ তুমি যদি এমতাবস্থায় মৃত্যুবরণ কর তাহলে ফেরেশতাগণ তোমার কবর যিয়ারত করবে যেরূপ বায়তুল্লাহকে যিয়ারত করা হয়। তুমি লোকদেরকে আমার সুন্নাত শিক্ষা দাও, যদিও তাঁরা তা অপছন্দ করে। তুমি যদি পথে এক পলক পরিমাণ সময় অপেক্ষা না করে জান্নাতে প্রবেশ করাকে পছন্দ কর, তাহলে তোমার মতামত দ্বারা আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে নূতন কিছু আবিষ্কার করো না

হাদীসটি জাল

৬৬। তিনি যখন কোন প্রয়োজনীয়তাকে ভুলে যাবার আশংকা করতেন, তখন তার হাতে একটি সুতা রেখে দিতেন (বেঁধে দিতেন), যাতে করে তা স্মরণ করতে পারেন

হাদীসটি বাতিল

৬৭। যে ব্যাক্তি তার আংটি বা পাগড়ী উল্টিয়ে রাখে বা তার আংগুলে সুতা ঝুলিয়ে রাখে, যাতে করে তার প্রয়োজনীয়তাকে স্মরণ করতে পারে, সে ব্যাক্তি অবশ্যই আল্লাহর সাথে শির্ক করল। কারণ আল্লাহ তাআলাই প্রয়োজনীয়তাকে স্মরণ করিয়ে দেন

হাদীসটি জাল

৬৮। যে ব্যাক্তি যমীন হতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম লিখা কাগজ উঠাবে; তাঁকে পদদলিত হওয়া থেকে সম্মান প্রদর্শন করে, তাঁকে আল্লাহর নিকট সত্যবাদী বিশ্বাসীদের মধ্যে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং তার পিতা-মাতার উপর হতে শাস্তি লাঘব করা হবে যদিও তাঁরা দুজন মুশরিক হয়। আর যে ব্যাক্তি বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম লিখল, অতঃপর আল্লাহকে সম্মান দেখিয়ে তাঁকে সৌন্দর্য মণ্ডিত করল, তাঁকে ক্ষমা করে দেয়া হবে

হাদীসটি জাল

৬৯। আলেম ব্যাক্তির বার্ধক্য জনিত কারণে মস্তিষ্ক বিকৃত হবে না

হাদীসটি জাল

৭০। কুরআন পাঠকারী বার্ধক্য জনিত কারণে বিকৃত মস্তিষ্ক হবে না

হাদীসটি জাল

৭১। যে ব্যাক্তি কুরআন জমা করবে, মৃত্যু পর্যন্ত আল্লাহ তাঁকে তার জ্ঞান দ্বারা উপকৃত করবেন

হাদীসটি জাল

৭২। ব্যাক্তির জ্ঞানের গভীরতা যাচাই কর তার দাড়ির দীর্ঘায়ত্বের মাঝে, আংটির কারুকার্যের মাঝে এবং তার কুনিয়াতের মাঝে

হাদীসটি জাল

৭৩। সূরা নেসার পরে ওয়াকফ নেই

হাদীসটি দুর্বল

৭৪। চল্লিশটি বাড়ী পর্যন্ত প্রতিবেশী মর্মে জিবরীল আমাকে ওয়াসিয়াত করেছেন। চতুর্দিকে দশটি দশটি করে

হাদীসটি দুর্বল

৭৫। সাবধান! অবশ্যই চল্লিশ ঘর পর্যন্ত প্রতিবেশী। সেই ব্যাক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ঠতাকে ভয় করে। চল্লিশ ঘর বলতে কী বুঝানো হচ্ছে মর্মে যুহরীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেনঃ চল্লিশ দিকে আর চল্লিশ দিকে

হাদীসটি দুর্বল



মন্তব্য