জাল/যয়ীফ হাদিস

প্রচলিত জাল ও য'ইফ হাদীস- ৫

Alorpath 5 months ago Views:141

প্রচলিত জাল ও য'ইফ হাদীস- ৫


প্রচলিত জাল ও য'ইফ হাদীস- ৪

১০১ যে ব্যাক্তি কুল-হু-আল্লাহু আহাদ আর সেই রোগের মধ্যে পাঠ করবে যাতে তার মৃত্যু হবে, তার কবরে তাঁকে ফেতনায় (প্রশ্নত্তরে) পড়তে হবে না সে কবরের চাপ খাওয়া হতে নিরাপদ থাকবে এবং ফেরেশতারা কিয়ামতের দিবসে তাঁকে (হাতের) তালু দ্বারা বহন করে পুলসিরাত অতিক্রম করিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করাবে

হাদীসটি জাল

১০২। আমি সে সময়েও নাবী ছিলাম যখন আদম পানি এবং মাটির মাঝে ছিলেন

হাদীসটি জাল

১০৩। যখন আদম ছিলেন না, পানি মাটি ছিল না তখনও আমি নাবী ছিলাম

হাদীসটি জাল

১০৪। কোন যুবক কোন বৃদ্ধকে তার বয়সের কারণে সম্মান করলে, আল্লাহ তার জন্যও এমন এক ব্যাক্তি নির্ধারিত করে দিবেন যে তাঁকে তার বৃদ্ধ বয়সের সময় সম্মান করবে

হাদীসটি মুনকার

১০৫। তুমি লেজ হও, তুমি মাথা হয়ো না

আমার জানামতে এটির কোন ভিত্তি নেই

১০৬। মুমিনের গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দানকারী এবং যার দিকে দৃষ্টি দেয়া হয়েছে তার উপরেও আল্লাহর অভিশাপ

হাদীসটি জাল

১০৭। আমি আমার কোন ভাইকে আল্লাহর ওয়াস্তে এক লোকমা খানা খাওয়াব অবশ্যই এটি আমার নিকট দুদিরহাম সাদাকা করার চেয়ে বেশী পছন্দনীয়। আর বিশ দিরহাম সাদকা করার চেয়ে সেই ভাইকে দুদিরহাম দান করা আমার নিকট বেশী পছন্দনীয়। বিশ দিরহাম তাঁকে দান করব তা অবশ্যই আমার নিকর একটি দাসী আযাদ (মুক্ত) করারা চেয়ে বেশী পছন্দনীয়

হাদীসটি জাল


১০৮। আমি আমার কোন মুসলিম ভাইকে এক লোকমা খানা খাওয়াব অবশ্যই তা আমার নিকট এক দিরহাম সাদাকা করার চেয়ে বেশী পছন্দনীয়। আমি আমার আল্লাহর ওয়াস্তের কোন মুসলিম ভাইকে এক দিরহাম দান করব তা দশ দিরহাম সাদকা করার চেয়ে আমার নিকট অবশ্যই বেশী পছন্দনীয়। আর দশ দিরহাম তাঁকে দান করব তা একটি দাসী আযাদ (মুক্ত) করার চেয়ে অবশ্যই আমার নিকট বেশী পছন্দনীয়

হাদীসটি দুর্বল

১০৯। যে ব্যাক্তি অবস্থায় সকাল করবে যে, তার সর্ববৃহৎ ব্যাস্ততা (চিন্তা-ভাবনা) হচ্ছে দুনিয়া কেন্দ্রিক, সে আল্লাহর নিকট হতে কিছুই পাবে না। যে ব্যাক্তি সাধারণ মুসলমানদের গুরুত্ব দিবে না, সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে না

হাদীসটি জাল

১১০। যে ব্যাক্তি অবস্থায় সকাল করবে যে, তার ব্যাস্ততা (চিন্তা-ভাবনা) হচ্ছে দুনিয়া কেন্দ্রিক, সে আল্লাহর নিকট হতে কিছুই পাবে না। যে ব্যাক্তি মুসলমানদের ব্যাপারে গুরুত্ব দিবে না; সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত থাকবে না। যে ব্যাক্তি সেচ্ছায় নিজের জন্য অপমান বরণ করে নিয়েছে কারো প্রতারণা ব্যাতিত সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়

 

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল

১১১। যে ব্যাক্তি অবস্থায় সকাল করবে যে, তার চিন্তা-চেতনা হচ্ছে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কিছুকে নিয়ে, সে আল্লাহর নিকট হতে কিছুই পাবে না। আর যে ব্যাক্তি মুসলমানদের ব্যাপারে গুরুত্ব দিবে না; সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয়

হাদীসটি জাল

১১২। যে মুসলমানদের বিষয়ে গুরুত্ব দিবে না, সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয়। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহর, তার রাসুল, তার কিতাব, তার ইমাম সাধারণ মুসলিমদের নসিহত করা অবস্থায় সকাল এবং সন্ধ্যা করবে না, সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয়

হাদীসটি দুর্বল

১১৩। দাঊদ (আঃ) এর দৃষ্টিতে ত্রুটি ছিল

হাদীসটি জাল

 

১১৪। দাঊদ (আঃ) যখন এক মহিলার দিকে দৃষ্টি দিলেন এবং তাঁকে কামনা করলেন, তখন বানু ইসরাইলের নিকট একদল সৈন্য প্রেরণ করলেন এবং সৈন্য দলের প্রধানের নিকট নির্দেশ দিয়ে বললেনঃ যখন শত্রুরা উপস্থিত হবে; তখন তুমি উমুক ব্যাক্তিকে নিকটবর্তী করে দাও। তিনি তার নামও উল্লেখ করে বললেনঃ তাঁকে তাবূতের সম্মুখে উপস্থিত করে দাও। তিনি বললেনঃ তাবূত ছিল সেই যুগে এমন এক ব্যাক্তি যার মাধ্যমে সাহায্য নেয়া হতো। যাকেই তাবূতের সম্মুখে উপস্থিত করা হত, সেই নিহত অথবা তার সম্মুখে যে সৈন্য বাহিনী যুদ্ধ করত তাঁরা পরাজিত হওয়া ছাড়া ফিরে আসত না। মহিলার স্বামী নিহত হল। দুফেরেশতা দাঊদ (আঃ) এর নিকট অবতরণ করলেন, অতঃপর তাঁরা তাঁকে ঘটনাটি শোনালেন

হাদীসটি বাতিল

১১৫। যে ব্যাক্তি ক্ষমাকৃত ব্যাক্তির সাথে খাবে তাঁকে ক্ষমা করে দেয়া হবে

হাদীসটি মিথ্যা, এটির কোন ভিত্তি নেই

পরিবার গঠন ও দাম্পত্য জীবনে সৌহার্দ্যের গুরুত্ব

১১৬। তুমি তোমার মাতা, তোমার পিতা, তোমার বোন তোমার ভাইকে সহযোগিতা করা শুরু কর। অতঃপর যে নিকটবর্তী তাঁকে, তার পর যে নিকটবর্তী তাঁকে। আর তোমার প্রতিবেশী এবং যে অন্যের মুখাপেক্ষী তাঁদেরকে ভুলে যেয়ো না

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল

১১৭। মূসা ইবনু ইমরান এক ব্যাক্তিকে অতিক্রম করেছিলেন এমতাবস্থায় যে, সে ব্যাক্তি কাঁপতেছিল। তিনি দাঁড়ালেন এবং যেন তাঁকে ক্ষমা করা হয় দু করলেন। তাঁকে বলা হলঃ হে মূসা! আর তো অবস্থা হয়নি ইবলিস কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার কারণে। সে তো নিজেকে আমার জন্য ক্ষুধার্ত করেছে। তুমিত দেখেছ সেই ব্যাক্তিকে যার দিকে আমি প্রতিদিন একাধিকবার দৃষ্টি দিয়ে থাকি, সে যেন তোমার জন্য দু করে। কারণ তার জন্য আমার নিকট প্রতিদিন গ্রহণযোগ্য দু রয়েছে

হাদীসটি দুর্বল

১১৮। প্রতিটি বস্তুর যাকাত রয়েছে, আর বাড়ীর যাকাত হচ্ছে মেহমানদের জন্য (তৈরিকৃত) ঘর

হাদীসটি জাল

১১৯। সাত ব্যাক্তির দিকে আল্লাহ তায়ালা কিয়ামত দিবসে তাকাবেন না। তাঁদেরকে পবিত্রও করবেন না। তাঁদেরকে বলেবেনঃ তোমরা জাহান্নামে প্রবেশকারীদের সাথে জাহান্নামে প্রবেশ করঃ সমকামী, যাকে করা হল, নিজ হাতকে বিবাহকারী, পশুকে বিবাহকারী, মহিলার পিছন পথকে বিবাহকারী, মহিলা তার মেয়েকে বিবাহকারী, নিজ প্রতিবেশীর সাথে ব্যভিচারকারী এবং প্রতিবেশীকে কষ্টদানকারী এমন ভাবে যে, সে কারণে তাঁকে অভিশাপ দিচ্ছে

হাদীসটি দুর্বল

১২০। তোমরা যেরূপ, সেরূপ ব্যাক্তিকেই তোমাদের নেতা নিয়োগ করা হবে

হাদীসটি দুর্বল

১২১। যে ব্যাক্তির কোন সন্তান ভূমিষ্ঠ হবে, অতঃপর তার ডান কানে আযান এবং বাম কানে ইকামত দেয়া হবে, বাচ্চাঁদের মা (শয়তান) তার কোন অনিষ্ঠ করতে পারবে না

হাদীসটি জাল

১২২। আমি আমার প্রভুর কাছে চেয়েছি, যেন আমার পরিবারের মধ্য হতে কাউকে জাহান্নামে দেয়া না হয়। তিনি তা আমাকে দিয়েছেন

হাদীসটি জাল

১২৩। যখনই আল্লাহ জানতে পারেন যে, কোন বান্দা তার গুনাহের কারণে অনুতপ্ত হয়েছে, তখনই সে ক্ষমা প্রার্থনা করার পূর্বেই তিনি ক্ষমা করে দেন

হাদীসটি জাল

১২৪। যে ব্যাক্তি কোন গুনাহ করল, অতঃপর জানতে পারল যে তার প্রতিপালক রয়েছেন, তিনি যদি চান তাহলে তাঁকে ক্ষমা করে দিবেন; তাহলেই (আল্লাহ) তাঁকে ক্ষমা করে দিবেন। আর যদি জানে যে, তিনি যদি চান তাহলে তাঁকে শাস্তি দিবেন, তাহলে আল্লাহর উপর তাঁকে ক্ষমা কড়া অপরিহার্য হয়ে যায়

হাদীসটি জাল

১২৫। যে ব্যাক্তি কোন গুনাহ করল। অতঃপর জানতে পারল যে, আল্লাহ তা অবগত হয়েছেন, তবেই তাঁকে ক্ষমা করে দেয়া হবে যদিও সে ক্ষমা প্রার্থনা না করে

হাদীসটি জাল

১০১। যে ব্যাক্তি কুল-হু-আল্লাহু আহাদ আর সেই রোগের মধ্যে পাঠ করবে যাতে তার মৃত্যু হবে, তার কবরে তাঁকে ফেতনায় (প্রশ্নত্তরে) পড়তে হবে না। সে কবরের চাপ খাওয়া হতে নিরাপদ থাকবে এবং ফেরেশতারা কিয়ামতের দিবসে তাঁকে (হাতের) তালু দ্বারা বহন করে পুলসিরাত অতিক্রম করিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করাবে

হাদীসটি জাল

১০২। আমি সে সময়েও নাবী ছিলাম যখন আদম পানি এবং মাটির মাঝে ছিলেন

হাদীসটি জাল

১০৩। যখন আদম ছিলেন না, পানি মাটি ছিল না তখনও আমি নাবী ছিলাম

হাদীসটি জাল

১০৪। কোন যুবক কোন বৃদ্ধকে তার বয়সের কারণে সম্মান করলে, আল্লাহ তার জন্যও এমন এক ব্যাক্তি নির্ধারিত করে দিবেন যে তাঁকে তার বৃদ্ধ বয়সের সময় সম্মান করবে

হাদীসটি মুনকার

১০৫। তুমি লেজ হও, তুমি মাথা হয়ো না

আমার জানামতে এটির কোন ভিত্তি নেই

১০৬। মুমিনের গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দানকারী এবং যার দিকে দৃষ্টি দেয়া হয়েছে তার উপরেও আল্লাহর অভিশাপ

হাদীসটি জাল

১০৭। আমি আমার কোন ভাইকে আল্লাহর ওয়াস্তে এক লোকমা খানা খাওয়াব অবশ্যই এটি আমার নিকট দুদিরহাম সাদাকা করার চেয়ে বেশী পছন্দনীয়। আর বিশ দিরহাম সাদকা করার চেয়ে সেই ভাইকে দুদিরহাম দান করা আমার নিকট বেশী পছন্দনীয়। বিশ দিরহাম তাঁকে দান করব তা অবশ্যই আমার নিকর একটি দাসী আযাদ (মুক্ত) করারা চেয়ে বেশী পছন্দনীয়

হাদীসটি জাল

১০৮। আমি আমার কোন মুসলিম ভাইকে এক লোকমা খানা খাওয়াব অবশ্যই তা আমার নিকট এক দিরহাম সাদাকা করার চেয়ে বেশী পছন্দনীয়। আমি আমার আল্লাহর ওয়াস্তের কোন মুসলিম ভাইকে এক দিরহাম দান করব তা দশ দিরহাম সাদকা করার চেয়ে আমার নিকট অবশ্যই বেশী পছন্দনীয়। আর দশ দিরহাম তাঁকে দান করব তা একটি দাসী আযাদ (মুক্ত) করার চেয়ে অবশ্যই আমার নিকট বেশী পছন্দনীয়

হাদীসটি দুর্বল

১০৯। যে ব্যাক্তি অবস্থায় সকাল করবে যে, তার সর্ববৃহৎ ব্যাস্ততা (চিন্তা-ভাবনা) হচ্ছে দুনিয়া কেন্দ্রিক, সে আল্লাহর নিকট হতে কিছুই পাবে না। যে ব্যাক্তি সাধারণ মুসলমানদের গুরুত্ব দিবে না, সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে না

হাদীসটি জাল

১১০। যে ব্যাক্তি অবস্থায় সকাল করবে যে, তার ব্যাস্ততা (চিন্তা-ভাবনা) হচ্ছে দুনিয়া কেন্দ্রিক, সে আল্লাহর নিকট হতে কিছুই পাবে না। যে ব্যাক্তি মুসলমানদের ব্যাপারে গুরুত্ব দিবে না; সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত থাকবে না। যে ব্যাক্তি সেচ্ছায় নিজের জন্য অপমান বরণ করে নিয়েছে কারো প্রতারণা ব্যাতিত সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়

 

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল

১১১। যে ব্যাক্তি অবস্থায় সকাল করবে যে, তার চিন্তা-চেতনা হচ্ছে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কিছুকে নিয়ে, সে আল্লাহর নিকট হতে কিছুই পাবে না। আর যে ব্যাক্তি মুসলমানদের ব্যাপারে গুরুত্ব দিবে না; সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয়

হাদীসটি জাল

১১২। যে মুসলমানদের বিষয়ে গুরুত্ব দিবে না, সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয়। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহর, তার রাসুল, তার কিতাব, তার ইমাম সাধারণ মুসলিমদের নসিহত করা অবস্থায় সকাল এবং সন্ধ্যা করবে না, সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয়

হাদীসটি দুর্বল

১১৩। দাঊদ (আঃ) এর দৃষ্টিতে ত্রুটি ছিল

হাদীসটি জাল

 

১১৪। দাঊদ (আঃ) যখন এক মহিলার দিকে দৃষ্টি দিলেন এবং তাঁকে কামনা করলেন, তখন বানু ইসরাইলের নিকট একদল সৈন্য প্রেরণ করলেন এবং সৈন্য দলের প্রধানের নিকট নির্দেশ দিয়ে বললেনঃ যখন শত্রুরা উপস্থিত হবে; তখন তুমি উমুক ব্যাক্তিকে নিকটবর্তী করে দাও। তিনি তার নামও উল্লেখ করে বললেনঃ তাঁকে তাবূতের সম্মুখে উপস্থিত করে দাও। তিনি বললেনঃ তাবূত ছিল সেই যুগে এমন এক ব্যাক্তি যার মাধ্যমে সাহায্য নেয়া হতো। যাকেই তাবূতের সম্মুখে উপস্থিত করা হত, সেই নিহত অথবা তার সম্মুখে যে সৈন্য বাহিনী যুদ্ধ করত তাঁরা পরাজিত হওয়া ছাড়া ফিরে আসত না। মহিলার স্বামী নিহত হল। দুফেরেশতা দাঊদ (আঃ) এর নিকট অবতরণ করলেন, অতঃপর তাঁরা তাঁকে ঘটনাটি শোনালেন

হাদীসটি বাতিল

১১৫। যে ব্যাক্তি ক্ষমাকৃত ব্যাক্তির সাথে খাবে তাঁকে ক্ষমা করে দেয়া হবে

হাদীসটি মিথ্যা, এটির কোন ভিত্তি নেই

১১৬। তুমি তোমার মাতা, তোমার পিতা, তোমার বোন তোমার ভাইকে সহযোগিতা করা শুরু কর। অতঃপর যে নিকটবর্তী তাঁকে, তার পর যে নিকটবর্তী তাঁকে। আর তোমার প্রতিবেশী এবং যে অন্যের মুখাপেক্ষী তাঁদেরকে ভুলে যেয়ো না

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল

১১৭। মূসা ইবনু ইমরান এক ব্যাক্তিকে অতিক্রম করেছিলেন এমতাবস্থায় যে, সে ব্যাক্তি কাঁপতেছিল। তিনি দাঁড়ালেন এবং যেন তাঁকে ক্ষমা করা হয় দু করলেন। তাঁকে বলা হলঃ হে মূসা! আর তো অবস্থা হয়নি ইবলিস কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার কারণে। সে তো নিজেকে আমার জন্য ক্ষুধার্ত করেছে। তুমিত দেখেছ সেই ব্যাক্তিকে যার দিকে আমি প্রতিদিন একাধিকবার দৃষ্টি দিয়ে থাকি, সে যেন তোমার জন্য দু করে। কারণ তার জন্য আমার নিকট প্রতিদিন গ্রহণযোগ্য দু রয়েছে

হাদীসটি দুর্বল

১১৮। প্রতিটি বস্তুর যাকাত রয়েছে, আর বাড়ীর যাকাত হচ্ছে মেহমানদের জন্য (তৈরিকৃত) ঘর

হাদীসটি জাল

১১৯। সাত ব্যাক্তির দিকে আল্লাহ তায়ালা কিয়ামত দিবসে তাকাবেন না। তাঁদেরকে পবিত্রও করবেন না। তাঁদেরকে বলেবেনঃ তোমরা জাহান্নামে প্রবেশকারীদের সাথে জাহান্নামে প্রবেশ করঃ সমকামী, যাকে করা হল, নিজ হাতকে বিবাহকারী, পশুকে বিবাহকারী, মহিলার পিছন পথকে বিবাহকারী, মহিলা তার মেয়েকে বিবাহকারী, নিজ প্রতিবেশীর সাথে ব্যভিচারকারী এবং প্রতিবেশীকে কষ্টদানকারী এমন ভাবে যে, সে কারণে তাঁকে অভিশাপ দিচ্ছে

হাদীসটি দুর্বল

১২০। তোমরা যেরূপ, সেরূপ ব্যাক্তিকেই তোমাদের নেতা নিয়োগ করা হবে

হাদীসটি দুর্বল

১২১ যে ব্যাক্তির কোন সন্তান ভূমিষ্ঠ হবে, অতঃপর তার ডান কানে আযান এবং বাম কানে ইকামত দেয়া হবে, বাচ্চাঁদের মা (শয়তান) তার কোন অনিষ্ঠ করতে পারবে না

হাদীসটি জাল

১২২। আমি আমার প্রভুর কাছে চেয়েছি, যেন আমার পরিবারের মধ্য হতে কাউকে জাহান্নামে দেয়া না হয়। তিনি তা আমাকে দিয়েছেন

হাদীসটি জাল

১২৩। যখনই আল্লাহ জানতে পারেন যে, কোন বান্দা তার গুনাহের কারণে অনুতপ্ত হয়েছে, তখনই সে ক্ষমা প্রার্থনা করার পূর্বেই তিনি ক্ষমা করে দেন

হাদীসটি জাল

১২৪। যে ব্যাক্তি কোন গুনাহ করল, অতঃপর জানতে পারল যে তার প্রতিপালক রয়েছেন, তিনি যদি চান তাহলে তাঁকে ক্ষমা করে দিবেন; তাহলেই (আল্লাহ) তাঁকে ক্ষমা করে দিবেন। আর যদি জানে যে, তিনি যদি চান তাহলে তাঁকে শাস্তি দিবেন, তাহলে আল্লাহর উপর তাঁকে ক্ষমা কড়া অপরিহার্য হয়ে যায়

হাদীসটি জাল

১২৫। যে ব্যাক্তি কোন গুনাহ করল। অতঃপর জানতে পারল যে, আল্লাহ তা অবগত হয়েছেন, তবেই তাঁকে ক্ষমা করে দেয়া হবে যদিও সে ক্ষমা প্রার্থনা না করে

হাদীসটি জাল



মন্তব্য