১০০ জাল হাদিস

6 months ago

১। দ্বীন (ধর্ম) হচ্ছে বিবেক, যার দ্বীন (ধর্ম) নেই তাঁর কোন বিবেক নেই।

২। যে ব্যাক্তির সালাত (নামায/নামাজ) তাঁকে তাঁর নির্লজ্জ ও অশোভনীয় কাজ হতে বিরত করে না, আল্লাহর নিকট হতে তাঁর শুধু দূরত্বই বৃদ্ধি পায়।

৩। পুরুষদের ইচ্ছা (মনোবল) পর্বতমালাকে স্থানচ্যুত করতে পারে।

৪। মসজিদের মধ্যে কথপোকথন পুণ্যগুলোকে খেয়ে ফেলে যেমনভাবে চতুষ্পদ জন্তুগুলো ঘাস খেয়ে ফেলে।

৫। কোন বান্দা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে যখন কিছু ত্যাগ করে, তখন আল্লাহ তাঁকে তাঁর দ্বীন ও দুনিয়াবী ক্ষেত্রে তাঁর চাইতেও অতি কল্যাণকর বস্তু প্রতিদান হিসেবে দান করে।

৬। ধূলিকণা হতে তোমরা বেঁচে চল, কারণ ধূলিকণা হতেই জীবাণু সৃষ্টি হয়।

৭। দু’টি বস্তুর নিকটবর্তী হয়ো না, আল্লাহ্‌র সাথে শরীক স্থাপন করা এবং মানুষের ক্ষতি সাধন করা।

৮। তুমি দুনিয়ার জন্য এমনভাবে কর্ম কর, যেন তুমি অনন্ত কালের জন্য জীবন ধারন করবে। আর আখেরাতের জন্য এমনভাবে আমল কর, যেন তুমি কালকেই মৃত্যুবরণ করবে।

৯। আমি প্রত্যেক পরহেজগার (সংযমী) ব্যাক্তির দাদা।

১০। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর বান্দাকে হালাল রুযি অন্বেষণের উদ্দেশ্যে পরিশ্রান্ত অবস্থায় দেখতে ভালবাসেন।

১১। আমি ভুলিনা, কিন্তু আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয় যাতে করে আমি বিধান রচনা করতে পারি।

১২। আল্লাহ দুনিয়ার নিকট অহী মারফত বলেছেন যে, তুমি খেদমত কর ঐ ব্যাক্তির যে আমার খেদমত করে আর কষ্ট দাও ঐ ব্যাক্তিকে যে তোমার খেদমত করে।

১৩। লোকেরা ঘুমিয়ে রয়েছে, যখন তাঁরা মৃত্যুবরণ করবে; তখন তাঁরা সতর্ক হবে (জাগ্রত হবে)।

১৪। যার নিকট সা’দকা করার মত কিছু থাকবে না, সে যেন ইয়াহুদীদের অভিশাপ দেয়।

১৫। শাম দেশ আমার তীর রাখার স্থল। যে তাঁর কোনোরূপ অনিষ্ট করার ইচ্ছা করবে, আমি তাঁকে সেখানকার তীর দ্বারা আঘাত করব।

১৬। আমার উম্মাতের দু’শ্রেণীর লোক যখন ঠিক হয়ে যাবে, তখন মানুষ ভাল হয়ে যাবে। নেতাগণ এবং ফাকীহগণ। (অন্য বর্ণনায় এসেছে ‘আলেমগণ’)।

১৭। যে ব্যাক্তি হাসতে হাসতে গুনাহ করবে, সে কাঁদতে কাঁদতে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

১৮। তোমরা পরকাটা কবুতর গ্রহণ কর, কারন তা তোমাদের বাচ্চাদের (সন্তানদের) থেকে জ্বীনকে বিমুখ করে দেয়।

১৯। তোমরা তোমাদের নারীদের মজলিশগুলো প্রেমালাপের দ্বারা সৌন্দর্য মণ্ডিত কর।

২০। তোমাদের দস্তরখানাগুলো সবজি দ্বারা সৌন্দর্যমণ্ডিত কর, কারন তা বিসমিল্লাহ বলে আহার করলে শয়তানকে বিতাড়ণকারী যন্ত্র।

২১। আমার অবস্থা সম্পর্কে তাঁর জ্ঞাত হওয়া আমার চাওয়ার জন্য যথেষ্ট।

২২। তোমরা আমার সত্তা দ্বারা অসীলা ধর, কারন আমার সত্তা আল্লাহর কাছে মহান।

২৩। তোমরা তওবাকারীদের সাথে বস। কারন তাঁরা অতি নরম হৃদয়ের অধিকারী।

২৪। যে ব্যাক্তি তার ভাইয়ের চাহিদানুযায়ী সংহতি প্রকাশ করবে, তাকে আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন।

২৫। যে ব্যাক্তি তার মুসলিম ভাইকে তার চাহিদানুযায়ী পানাহার করাবে, আল্লাহ তার উপর জাহান্নামকে হারাম করে দিবেন।

২৬। তিনি আংগুর খেতেন টুকরো টুকরো করে।

২৭। ধর্মীয় চেতনা আচ্ছাদিত করবে কুরআন বহনকারীদেরকে। তাঁদের পেটে কুরআনকে ইয্‌যত করার উদ্দেশ্যে।

২৮। ধর্মীয় চেতনা শুধুমাত্র আমার উম্মতের নেককার ও সৎকর্মশীলদের মধ্যেই হবে। অতঃপর তা ফিরে যাবে।

২৯। আমার উম্মতের সর্বোত্তম ব্যাক্তিরা হচ্ছেন তাঁদের ধর্মীয় চেতনার অধিকারীগণ। যখন তাঁরা রাগান্বিত হয় তখন তাঁরা (তা হতে) প্রত্যাবর্তন করে।

৩০। আমার ও আমার উম্মাতের মাঝে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত কল্যাণ নিহিত।

৩১। দুনিয়া হচ্ছে মু’মিন ব্যাক্তির এক পদক্ষেপ।

৩২। আখেরাতের অধিবাসীদের জন্য দুনিয়া হারাম এবং দুনিয়ার অধিবাসীদের জন্য আখেরাত হারাম। দুনিয়া ও আখেরাতের উভয়টই হারাম আল্লাহর ওয়ালাদের জন্য।

৩৩। দুনিয়া হচ্ছে আখেরাতের সতীন।

৩৪। আমার উম্মাতের সৎকর্মশীল পুরুষদের কর্ম হচ্ছে দরজীর কাজ আর আমার উম্মাতের সৎ কর্মশীলা মহিলাদের কর্ম হচ্ছে চরকায় সুতা কাটা।

৩৫। যে আযান দিবে সেই যেন ইকামত দেয়।

৩৬। দেশকে ভালবাসা ঈমানের অঙ্গ (দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ)।

৩৭। যদি এ হৃদয় বিনয়ী হয়, তবে তার অঙ্গ-প্রতঙ্গ গুলোও বিনয়ী হবে।

৩৮। বংশ পরিচয় দানকারীগন মিথ্যা বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “এবং তাদের মধ্যবর্তী বহু সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি।”

১৪৯। রক্ত এক দিহরাম পরিমাণ হলে, তা ধুয়ে নিতে হবে এবং তার কারণে সালাত (নামায/নামাজ) পুনরায় আদায় করতে হবে।

৪০। তোমরা কদু (লাউ) অপরিহার্য করে নাও। কারন তা অনুভূতি (জ্ঞান) বৃদ্ধি করে। তোমরা ডালকে অপরিহার্য করে নাও, কারন তার পবিত্রতা বর্ণিত হয়েছে সত্তর জন নবীর ভাষায়।

৪১। মাকড়সা হচ্ছে শয়তান আল্লাহ তার রূপ পরিবর্তন করে দিয়েছেন। অতএব তোমরা তাকে হত্যা কর।

৪২। নবীগণ হচ্ছেন নেতা, ফাকীহগন হচ্ছেন সর্দার আর তাদের মজলিসগুলো হচ্ছে অতিরিক্ত।

৪৩। যে ব্যাক্তি কুরআন ব্যাতিত অন্য কিছু দ্বারা সুস্থতা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাকে সুস্থ করবেন না।

৪৪। আমার উম্মতের শাক-সবজি হচ্ছে আঙুর এবং তরমুজ।

৪৫। যে ব্যাক্তি বায়তুল্লাহ যিয়ারত করল, অথচ আমাকে যিয়ারত করল না, সে আমার ব্যাপারে রুঢ় আচরণ করল।

৪৬। যে ব্যাক্তি আমাকে ও আমার পিতা ইবরাহীমকে একই বছরে যিয়ারত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

৪৭। যে ব্যাক্তি হাজ্জ (হজ্জ) করবে, অতঃপর আমার মৃত্যুর পর আমার কবর যিয়ারত করবে, সে যেন ঐ ব্যাক্তির ন্যায় যে জীবদ্দশায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করেছে।

৪৮। এক দিনারের বিনিময়ে এক গ্লাস পানি দ্বারা হলেও তোমরা জুম’আর দিবসে গোসল কর।

৪৯। ফড়িং (পতঙ্গ) সামুদ্রিক মাছের হাঁচি।

৫০। অপবাদমূলক স্থানগুলো হতে বেঁচে চল।

৫১। যে ব্যাক্তি কোন শিশুকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা পর্যন্ত লালনপালন করবে; আল্লাহ তার হিসাব কিতাব নিবেন না।

৫২। আল্লাহ তা’আলা এক ঘণ্টা সঙ্গ দেওয়া সম্পর্কেও জিজ্ঞেস করবেন।

৫৩। তোমরা বৃদ্ধদের ধর্মকে আঁকড়ে ধর।

৫৪। যখন কেউ শেষ যামানায় এসে যাবে এবং মতামতগুলো বিভিন্নরুপ হয়ে যাবে, তখন তোমরা মফস্বলবাসী ও নারীদের ধর্মকে ধারন করবে।

৫৫। খারাপ চরিত্র এমন এক গুনাহ যা ক্ষমা করা হবে না আর কু-ধারনা এমন এক ত্রুটি যা দুর্গন্ধ ছাড়ায়।

৫৬। যদি নারী জাতি না থাকত, তাহলে সত্যই সত্য আল্লাহর ইবাদত করা হত।

৫৭। আমার উম্মাতের মতাভেদ রহমত স্বরূপ।

৫৮। আমার সাহাবীগণ নক্ষত্রের ন্যায়, তোমরা তাদের যে কোন একজনের অনুসরণ করলে সঠিক পথপ্রাপ্ত হবে।

৫৯। ধনীদের মোরগ গ্রহণ করার সময় আল্লাহ গ্রামগুলোকে ধ্বংসের ঘোষণা দেন।

৬০। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা চোখে কালো মনি বিশিষ্ট সুন্দর চেহারার অধিকারীদের শাস্তি দেবেন না।

৬১। অবশ্যই আমার সাথীগণ নক্ষত্রতুল্য। অতএব তোমরা তাদের যে কারো কথা গ্রহণ করলে সঠিক পথপ্রাপ্ত হবে।

৬২। আমার পরিবারের সদস্যগণ নক্ষত্রতুল্য, তোমরা তাদের যে কোন জনকে অনুসরণ করলে সঠিক পথ লাভ করবে।

৬৩। পাগড়ী সহ দু’রাকাত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় বিনা পাগড়ীতে সত্তর রাকা’য়াত সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের চাইতেও উত্তম।

৬৪। পাগড়ীসহ সালাত (নামায/নামাজ) পড়া দশ হাজার ভাল কর্মের সমতুল্য।

৬৫। সুন্দর চেহারার দিকে দৃষ্টিদান চোখকে উজ্জ্বল করে আর কুৎসিত চেহারার দিকে দৃষ্টিদান মুখমণ্ডলে ভীতির চিহ্নের উদ্ভব ঘটায়।

৬৬। যে ব্যাক্তি নিজেকে চিনেছে, সে তার প্রভুকে চিনতে সক্ষম হয়েছে।

৬৭। যে ব্যাক্তি ফজরের সালাতে (নামায/নামাজ) সূরা “আলাম নাশরাহ” এবং সূরা “আলাম তাঁরা কাইফা” পাঠ করবে; সে চোখে ঝাপসা দেখবে না।

৬৮। উযূ (ওজু/অজু/অযু)র পরে “ইন্না আনযালনাহু” সূরা পাঠ করতে হয়।

৬৯। গর্দান মাসাহ করা নিরাপত্তা বিধান করে বন্দি হওয়া থেকে।

৭০। ব্যভিচার (যিনা) দারিদ্রতার অধিকারী করে।

৭১। তাকবীর হচ্ছে পৃথক পৃথক ভাবে। (অর্থাৎ আযানের তাকবীর)

৭২। তিনটি বস্তু দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করেঃ সবুজ বর্ণ, প্রবাহিত পানি ও সুন্দর চেহারার দিকে দৃষ্টি দান।

৭৩। সুন্দর চেহারার অধিকারিণী নারী এবং সুন্দর ঘাসের দিকে দৃষ্টিদান দৃষ্টিশক্তিকে বৃদ্ধি করে।

৭৪। তোমরা মোটা-তাজা শক্তিশালী পশু দ্বারা কুরবানী কর; কারন তা হবে পুল-সিরাতের উপর তোমাদের বাহন।

৭৫। সালাত (নামায/নামাজ) ছুটে যাবার পূর্বেই দ্রুত তোমরা তা আদায় কর এবং মৃত্যু গ্রাস করার পূর্বেই দ্রুত তওবা কর।


৭৬। যে ব্যাক্তি কোন হাদীস বর্ণনা করবে। অতঃপর তার নিকট হাঁচি দেয়া হবে, সে ব্যাক্তি (তার কথাই) সত্য।

৭৭। যে কথার নিকট হাঁচি দেয়া হয় সেটিই হচ্ছে সর্বাপেক্ষা সত্য কথা।

৭৮। মু’মিনের উচ্ছিষ্টে রয়েছে আরোগ্য।

৭৯। হতভাগ্যদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা দুঃখী সেই ব্যাক্তি যার মাঝে দুনিয়া ও আখেরাতের দারিদ্রতা একত্রিত হয়েছে।

৮০। মাহাদী হবে আমার চাচা আব্বাসের সন্তানদের থেকে।

৮১। তিনটি বস্তু দ্বারা শরীর আনন্দিত (পরিতৃপ্ত) হয় এবং তার উপর ভর করেই বৃদ্ধি লাভ করে; সুগন্ধি, মোলায়েম কাপড় এবং মধু পান করা।

৮২। হে আবূল ফযল! তোমাকে কি সুসংবাদ দেব না? নিশ্চয় আল্লাহ আমার মাধ্যমে এ কর্ম উন্মোচন করেছেন এবং তা তোমার সন্তান দ্বারা সমাপ্ত করবেন।

৮৩। তাসবীহ পাঠ এর যন্ত্র দ্বারা তাসবীহ পাঠক কতই না ভালো ব্যাক্তি। নিশ্চয় সর্বোত্তম বস্তু সেটিই যমীনে যার উপর সিজদা করা হয় এবং যমীন যা উৎপাদন করে।

৮৪। লোকেদের মাঝে সর্বাপেক্ষা মিথ্যুক হচ্ছে বস্ত্রাদিতে রংকারীরা এবং অলঙ্কারাদী প্রস্তুত কারীরা।

৮৫। তিনি শুধুমাত্র তিন দিন পর রোগীর সেবা করতে (দেখতে) যেতেন।

৮৬। প্লেগ (উদরাময়) তোমাদের ভাই জ্বীনদের এক অংশ।

৮৭। খাতীব যখন মিম্বারে উঠে যাবে; তার পর সালাত (নামায/নামাজ)-ও নেই, কোন কথাও নেই।

৮৮। শস্য কৃষকদের জন্য, যদিও তা ছিনিয়ে নিয়ে থাকে।

৮৯। বস্তুর মালিকই তার বস্তুটি বহন করার অধিক হকদার। তবে সে যদি দুর্বলতার কারণে তা বহন করতে অক্ষম হয়, তাহলে তাকে তার মুসলিম ভাই সহযোগিতা করবে।

৯০। তিন ধরনের রোগীর সেবা করা যায় না (দেখতে যাওয়া যায় না); চোখ উঠা রোগী, দাঁতের রোগী এবং ফোড়াধারি রোগী।

৯১। আল্লাহর নাম ধরে কসম করে মিথ্যা কথা বলা আমার নিকট অতিপ্রিয়, আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে কসম করে সত্য বলা হতে।

৯২। তিনটি বস্তু যার মধ্যে থাকবে, তার বক্ষকে আল্লাহ প্রশস্ত করে দেবেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। দুর্বলকে দয়া করা, পিতা-মাতার প্রতি নম্র ব্যাবহার করা এবং অধীনস্তদের প্রতি ইহসান করা।

৯৩। নিশ্চয় আল্লাহ ও তার ফেরেশতাগণ জুম’আর দিবসে পাগড়ী ধারীদের প্রতি দয়া করেন।

৯৪। রোগীর সেবা করতে হবে (দেখতে যেতে হবে) তিন দিন পর।

৯৫। তওবাকারী আল্লাহর বন্ধু।

৯৬। নিশ্চয় আল্লাহ ভালবাসেন পথভ্রষ্ট তওবাকারী মু’মিন বান্দাকে।

৯৭। তোমরা বিবাহ কর তবে তালাক দিওনা; কারন তালাকের জন্য আরশ কেঁপে উঠে।

৯৮। নিশ্চয় আল্লাহ সেই যুবককে ভালবাসেন যে, তার যৌবন কালকে আল্লাহর আনুগত্যের মধ্যে অতিবাহিত করে।

৯৯। নিশ্চয় আল্লাহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সাথে ইবাদতকারীকে ভালবাসেন।

১০০। সদাচারণকারীদের উত্তম কর্মগুলো হচ্ছে নৈকট্য অর্জন কারীগণের মন্দ কর্ম।

সাম্প্রতিক পোস্ট